ঢাকা বৃহঃস্পতিবার, ১৪ই মে ২০২৬, ১লা জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


লাশের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে উৎসব করতে এঁদের কি বিবেক কাঁপে না: আনিস আলমগীর


প্রকাশিত:
১৪ মে ২০২৬ ১৪:৫৩

দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে প্রায় ৫০০ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং তাঁর অনুসারীদের তীব্র সমালোচনা করেছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আনিস আলমগীর। নাগরিক সমাজের একাংশের নীরবতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, লাশের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে উৎসব করতে এঁদের একবারও বিবেক কাঁপে না।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। ওই পোস্টে তিনি ড. ইউনূস ও তাঁর অনুসারীদের সমালোচনা করে অভিযোগ করেন, দেশে শত শত শিশু যখন হামে মারা যাচ্ছে, তখন এর জন্য যাঁদের জবাবদিহির আওতায় আসার কথা, তাঁরা বিয়ের আনন্দ ও ভোজ-উৎসবে ব্যস্ত রয়েছেন।

অতীতে এক ছাত্রনেতা গুলিবিদ্ধ হওয়ার দিনে কারও নিহারি খাওয়া নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক নাগরিক সমাজের দ্বিচারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। কড়া ভাষায় সমালোচনা করে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আনিস আলমগীর বলেন, ‘এক বাটি নিহারি যাঁদের বিবেক কাঁপিয়েছিল, আজ ৫০০ শিশুর লাশ তাঁদের একটুও নাড়া দেয় না। লাশের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে উৎসব করতে এঁদের কি একবারও বিবেক কাঁপে না?’

ফেসবুক পোস্টে আনিস আলমগীর আরও অভিযোগ করেন, এই মৃত্যুগুলোর পেছনে যে অবহেলা, ব্যর্থতা ও নিষ্ঠুর উদাসীনতা রয়েছে, তার কোনো জবাবদিহি নেই। নীরব থাকা ব্যক্তিদের উদ্দেশে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘ইউনূস কি ওদের ভাসুর, শ্বশুর না আব্বা লাগে—শিশু হত্যাকারীকে নিয়ে এদের মুখে একটি শব্দও নেই!’

পোস্টের সঙ্গে জজকোর্ট প্রাঙ্গণের একটি ছবিও যুক্ত করেন আনিস আলমগীর। ছবির প্রেক্ষাপট বর্ণনা করে তিনি জানান, ড. ইউনূসের একটি ‘হয়রানিমূলক’ মামলায় হাজিরা দিতে তিনি আদালতে গিয়েছিলেন। সেখানে আইনজীবীদের প্রতিবাদের সময় তাঁদের অনুরোধে কিছুক্ষণ সংহতি জানিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।