ঢাকা শনিবার, ২৮শে জানুয়ারী ২০২৩, ১৬ই মাঘ ১৪২৯


ঢামেকে চতুর্থ শ্রেণির নির্বাচনে কালো টাকার ছড়াছড়ি!

ঢামেকে চতুর্থ শ্রেণির নির্বাচনে কালো টাকার ছড়াছড়ি!


৪ ডিসেম্বর ২০২২ ১০:০৫

আপডেট:
২৮ জানুয়ারী ২০২৩ ০৮:৫৩

বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারী সমিতি (ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ইউনিট) নির্বাচন আগামী ৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনকে ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। ভোটারদের কাছে কাছে গিয়ে ভোট চাইতে দেখা যাচ্ছ ভোটারদের।

৯৫৩ জন ভোটার আগামী ৮ডিসেম্বর ব্যলটের মাধ্যমে তাদের প্রার্থী নির্বাচন করবেন। এ নিয়ে ভোটারদেরও আগ্রহ কম নয়। ঢাকা মেডিকেলের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের দাবি-দাওয়া আদায়ের জন্য কথা বলতে পারবে এমন যোগ্য সহকর্মীকেই তারা তাদের নেতা নির্বাচন করতে চায়।

২৭ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটিতে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মোঃ আবুল বাশার সিকদার (রিক্সা মার্কা), মোঃ আলম (ইলিশ মাছ), মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন (কাপ প্রিচ) এবং *মোঃ রমিজ মিয়া (সাইকেল)।

সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মোঃ শিপন মিয়া (ঘুড়ি) ও মোঃ আবদুল আজিজ (গোলাপ ফুল)।

তবে এই নির্বাচন ঘিরে কালো টাকা ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে ঢামেক ইউনিটের বেশ কয়েকজন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে। ভোটার প্রতি ২ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দেওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে। সেই সঙ্গে বিএনপি জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীরা আওয়ামী লীগের লেবাজে মাঠে নেমেছে বলেও অভিযোগ আছে অনেকের বিরুদ্ধে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ভোটার জানান, সভাপতির প্রার্থী মোঃ আলম ফুটপাতে চাঁদাবাজি করে কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। এই আলম সিন্ডিকেট ঢাকা মেডিকেলের চারপাশের ফুটপাত থেকে প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা চাঁদা তোলেন। এই চাঁদার টাকায় ঢাকায় নামে বেনামে করেছেন ফ্ল্যাট ও প্লট। নির্বাচনে কালো টাকা ছড়ানোর অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক ভোটার বলেন, 'আলম ভাই ভোট চাইতে আইসা দুই হাজার টাকা দিয়া গেছে।'

আরেকজন সভাপতি প্রার্থী মোঃ রমিজ মিয়া। সরকারি কর্মচারী হয়েও শাহবাগ থানার অন্তর্ভুক্ত ২০ নং ওয়ার্ডের ঢাকা মেডিকেল ইউনিটের আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি নিয়ন্ত্রণ করেন ঢাকা মেডিকেলের এ্যাম্বুলেন্স, ও ফুটপাতের একাংশ। অভিযোগ আছে রমিজের ওঠাবসা বিএনপি পন্থী লোকজনের সাথে।

কালো টাকা ছড়ানোর দিক থেকে পিছিয়ে নেই সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মোঃ শিপন মিয়াও। বর্তমান কমিটিরও সাধারণ সম্পাদক তিনি। গত চার বছরে তার পদ ব্যবহার করে অবৈধ টাকার পাহাড় গড়ার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। জানা গেছে, নির্বাচনের প্রচারণার শুরু থেকেই ভোটারদের নানাভাবে প্ররোচনা দেওয়ার পাশাপাশি ছড়াচ্ছেন কালো টাকা। ভোটার প্রতি ২ থেকে ৫ হাজার টাকা দিচ্ছেন তিনি।