নকলায় অতিদরিদ্র শত শীতার্তের গায়ে আস-সুন্নাহ’র শীতবস্ত্র
পৌষের মাঝামঝি দিকে এসে সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুরে হাড় কাঁপানো কনকনে ঠান্ডায় শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষজন শীতে কাবু হয়ে পড়েছেন। প্রায় প্রতি রাতে বৃষ্টির ফোঁটার মতো ঝড়ছে কুয়াশা। দিনের প্রায় মধ্য ভাগ পর্যন্ত দেখা মিলছেনা সূর্যের। বেলা বাড়ার সাথে সাথে সূর্যের কিছুটা উত্তাপ ছড়ালেও বিকেল হতেই তাপমাত্রা আবারও নি ম্নগামী হতে থাকে। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিপাকে পড়েছেন ছিন্নমূল শীতার্ত এবং দরিদ্র অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
এমতাবস্থায় ‘আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন’ নামক একটি সংস্থা শীত নিবারনের জন্য শেরপুরের নকলা উপজেলার অতিদরিদ্র অসহায় ১০০ শীতার্তের মাঝে শীত নিবারনের জন্য কম্বল ও জ্যাকেট বিতরণ করেছে। এরমধ্যে ৫০টি কম্বল ও ৫০টি জ্যাকেট বিতরণ করা হয়।
স্বেচ্ছাসেবকগন প্রথমে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে অতিদরিদ্র, ছিন্নমূল শীতার্তদের তালিকা তৈরি করেন। পরে সুবিধাজনক সময়ে শীতার্তদের চাহিদা মোতাবেক তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে একটি করে কম্বল বা একটি করে জ্যাকেট হাতে পৌঁছেদেন।
এই বিতরণ কাজের নেতৃত্বদেন আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের নকলা উপজেলার দায়িত্বশীল জালালপুর পূর্বপাড়া বাইতুন নুর আহলে হাদিস জামে মসজিদের খতিব তরুণ স্বেচ্ছাসেবক হাফেজ মো. রমজান আলী। আর তার সাথে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন তরুণ স্বেচ্ছাসেবক মাওলানা জিয়াউল হক, মাওলানা তারিক জামিল, দেলোয়ার হোসেন, মারজুল ইসলাম, তাহসিন আহমেদ, ইউসুফ আহমেদ ও তানভীর আহমেদসহ অনেক স্বেচ্ছাসেবক।
হাড় কাঁপানো কনকনে ঠান্ডায় শীত নিবারনের জন্য বিনামূল্যে উন্নত মানের কম্বল ও জ্যাকেট পেয়ে ‘আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন’ সংস্থার প্রতি সুবিধাভোগী শীতার্তরা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। এছাড়া এমন মহতি উদ্যোগের জন্য উদ্যোক্তাদের সাধুবাদ ও বিতরণ কাজে সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান তারা।
