ঢাকা রবিবার, ৭ই জুন ২০২৬, ২৫শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


২০২৬ বিশ্বকাপ

আর্জেন্টিনাকে নয়, ব্রাজিলকেই ‘সবচেয়ে ভয়ংকর’ মানছেন মেসি


প্রকাশিত:
৭ জুন ২০২৬ ১৪:১৬

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির চোখে সবচেয়ে বড় শক্তির নাম ব্রাজিল। সাম্প্রতিক সময়ে সেলেসাওরা খুব একটা ছন্দে না থাকলেও, তাদের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখছেন এই ফুটবল জাদুকর।

বিশ্বকাপের শিরোপা প্রত্যাশী দলগুলো নিয়ে নিজের মূল্যায়ন করতে গিয়ে মেসি জানান, ব্রাজিলের বর্তমান স্কোয়াডের গভীরতাই তাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র। আর্জেন্টাইন অধিনায়কের মতে, ব্রাজিলের দলে এমন অনেক প্রতিভাবান ফুটবলার রয়েছেন, যারা একক প্রচেষ্টায় যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন।

ব্রাজিলের সাফল্যের পেছনে নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তির ভূমিকার ওপরও বিশেষ জোর দিয়েছেন মেসি। অভিজ্ঞ এই ইতালিয়ান কোচের অধীনে ব্রাজিল দল আগের চেয়ে অনেক বেশি সংগঠিত ও ভারসাম্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে মনে করেন তিনি। মেসি বলেন, “বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে ব্রাজিল সবসময়ই ভয়ংকর। আনচেলত্তির অধীনে তারা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে।”

তবে শিরোপার দৌড়ে শুধুমাত্র ব্রাজিলকেই দেখছেন না মেসি। তার তালিকায় ফ্রান্স, স্পেন এবং পর্তুগালও সমানতালে রয়েছে। মেসির ভাষ্যমতে, এই দলগুলো বিশ্বকাপ জয়ের জন্য দারুণভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে এবং টুর্নামেন্টে বড় চমক দেখানোর সক্ষমতা রাখে।

নিজেদের দল আর্জেন্টিনা প্রসঙ্গে মেসি বলেন, টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের মিশন যে সহজ হবে না, তা তিনি ভালোভাবেই জানেন। দলের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ের চোট ও ফিটনেস সমস্যা নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তা থাকলেও, দলের মানসিক দৃঢ়তা এবং বড় আসরে সফল হওয়ার অভিজ্ঞতাকেই মূল পুঁজি করছেন তিনি।

উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিতব্য এবারের বিশ্বকাপ অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে উল্লেখ করে মেসি আরও বলেন, “বিশ্বকাপ এমন একটি টুর্নামেন্ট যেখানে কোনো প্রতিপক্ষকেই হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। যেকোনো দলই যেকোনো সময় অঘটন ঘটাতে পারে।”

শিরোপাধারী হিসেবে আর্জেন্টিনা মাঠে নামলেও, প্রতিপক্ষ হিসেবে ব্রাজিলের ওপরই সবচেয়ে বেশি নজর রাখছেন মেসি। তার এই মূল্যায়ন ফুটবল বিশ্বে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে—তাহলে কি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের সঙ্গেই চূড়ান্ত লড়াইয়ের আভাস পাচ্ছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ফুটবলার? উত্তরটা পেতে ফুটবলপ্রেমীদের অপেক্ষা করতে হবে বিশ্বকাপের পর্দা ওঠার পর্যন্ত।