ঢাকা বৃহঃস্পতিবার, ৩রা এপ্রিল ২০২৫, ২১শে চৈত্র ১৪৩১


২০০ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা দিল জেলা প্রশাসন


২৬ মার্চ ২০২৫ ১৩:৫২

আপডেট:
২৬ মার্চ ২০২৫ ১৩:৫৫

স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদ বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের কোন বিনিময় হয় না। মুক্তিযোদ্ধারা যারা বেঁচে আছেন, তারা আমাদের সম্পদ। তারা আমাদের মাথার তাজ। মুক্তিযোদ্ধাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগে আমাদের দেশ গঠিত হয়েছে। সেই দেশটি যেন সুন্দরভাবে চালাতে পারি, সেজন্য আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

বুধবার (২৬ মার্চ) ঢাকা জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সমাবেশ ও কুচকাওয়াজ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। এদিন সকাল ১১ টায় অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রথমে অতিথিবৃন্দ আসন গ্রহণ করেন, এরপর জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্ধোধন করেন জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদ। সমাবেশ ও কুচকাওয়াজের পর ২০০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। পরে তাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়।

তানভীর আহমেদ আরো বলেন, প্রত্যেক বছরই আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। একসময় হয়তো একজন মুক্তিযোদ্ধাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। অনেক খুঁজে হয়তো আমরা একজনকে পাবো। তখন বুঝতে পারবো, মুক্তিযোদ্ধাদের কদর। 

মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, আমাদের সংবিধানে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননার ব্যাপারে কোন কিছু লিপিবদ্ধ নেই। এখনি উপযুক্ত সময়, সংবিধানে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের লিপিবদ্ধ করুন। মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা সুরক্ষা আইন করুন। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করবো, মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা করুন। ভুয়া মুক্তিযুদ্ধদের বের করুন। কীভাবে করবেন, আমরা জানি না। 

ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেলের সহকারি কমিশনার শোয়েব শাত ইল ইভান এবং জেলা কার্যালয়ের সহকারি কমিশনার এবং এক্সকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত নওশীনেরর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন-ঢাকা জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান, ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ফুয়ারা খাতুন, বীর মুক্তিযোদ্ধার এ বি এম মাহবুবুর রহমান জাহাঙ্গীরের মেয়ে সাবিরা মাহবুব, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, শফিকুর রহমান প্রমুখ।

স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদ বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের কোন বিনিময় হয় না। মুক্তিযোদ্ধারা যারা বেঁচে আছেন, তারা আমাদের সম্পদ। তারা আমাদের মাথার তাজ। মুক্তিযোদ্ধাদের নিঃস্বার্থ ত্যাগে আমাদের দেশ গঠিত হয়েছে। সেই দেশটি যেন সুন্দরভাবে চালাতে পারি, সেজন্য আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন। 

বুধবার (২৬ মার্চ) ঢাকা জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সমাবেশ ও কুচকাওয়াজ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। এদিন সকাল ১১ টায় অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রথমে অতিথিবৃন্দ আসন গ্রহণ করেন, এরপর জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্ধোধন করেন জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদ। সমাবেশ ও কুচকাওয়াজের পর ২০০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। পরে তাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়।

তানভীর আহমেদ আরো বলেন, প্রত্যেক বছরই আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। একসময় হয়তো একজন মুক্তিযোদ্ধাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। অনেক খুঁজে হয়তো আমরা একজনকে পাবো। তখন বুঝতে পারবো, মুক্তিযোদ্ধাদের কদর। 

মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, আমাদের সংবিধানে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননার ব্যাপারে কোন কিছু লিপিবদ্ধ নেই। এখনি উপযুক্ত সময়, সংবিধানে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের লিপিবদ্ধ করুন। মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা সুরক্ষা আইন করুন। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করবো, মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা করুন। ভুয়া মুক্তিযুদ্ধদের বের করুন। কীভাবে করবেন, আমরা জানি না। 

ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেলের সহকারি কমিশনার শোয়েব শাত ইল ইভান এবং জেলা কার্যালয়ের সহকারি কমিশনার এবং এক্সকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নুসরাত নওশীনেরর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন-ঢাকা জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ জিল্লুর রহমান, ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ফুয়ারা খাতুন, বীর মুক্তিযোদ্ধার এ বি এম মাহবুবুর রহমান জাহাঙ্গীরের মেয়ে সাবিরা মাহবুব, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, শফিকুর রহমান প্রমুখ।